বস্তুটির নাম কার্বন অ্যারোজেল। এর ঘনত্ব মাত্র ০.১৬ মিলিগ্রাম/কিউবিক সেন্টিমিটার। বুঝতে পারছেন তো, কতটা হালকা? এতটাই হালকা যে ফুলের পাপড়ির উপর অনায়াসেই বসে থাকতে পারবে। হয়তো পুরোপুরি বুঝতে পারেননি। কার্বন অ্যারোজেল বাতাসের চেয়েও হালকা, ঘনত্বে বাতাসের ছয় ভাগের এক ভাগ। প্রফেসর গাও চাও এর নেতৃত্বে চীনের ঝেজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী তৈরি করেছেন পদার্থটিকে।
আরও অবাক করার মত ব্যাপার হল এর শোষণ ক্ষমতা এতটাই বেশি যে, নিজের ভরের চেয়ে ৯০০ গুণ বেশি পর্যন্ত ভরের বস্তু এটি শোষণ করতে পারবে। অত্যাধিক শোষণ ক্ষমতার কারণে পরিবেশ দূষণ রোধে পদার্থটি দারুণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। পানি শোধন এমনকি বায়ু শোধনের কাজেও ব্যবহার করা যাবে এটি।
আরও অবাক করার মত ব্যাপার হল এর শোষণ ক্ষমতা এতটাই বেশি যে, নিজের ভরের চেয়ে ৯০০ গুণ বেশি পর্যন্ত ভরের বস্তু এটি শোষণ করতে পারবে। অত্যাধিক শোষণ ক্ষমতার কারণে পরিবেশ দূষণ রোধে পদার্থটি দারুণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। পানি শোধন এমনকি বায়ু শোধনের কাজেও ব্যবহার করা যাবে এটি।
অ্যারোজেল হচ্ছে খুবই হালকা এক ধরণের সিনথেটিক(সংশ্লেষী) পদার্থ। জেল জাতীয় পদার্থ থেকে তরল অংশটুকুকে সম্পূর্ণ গ্যাস দিয়ে প্রতিস্থাপন করে এদের তৈরি করা হয়। কার্বন অ্যারোজেল তৈরি করা হয়েছে কার্বন ন্যানোটিউব দিয়ে। এর আর্দ্রতা সম্পূর্ণ বের করে ফেলে আগের বানানো যেকোনো অ্যারোজেলের থেকে এটিকে হালকা বানানো হয়েছে। সাথে সাথে এর গাঠনিক দৃঢ়তা যাতে ঠিক থাকে সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত যে বস্তুটি সবচেয়ে হালকা বলে বিবেচিত ছিল তার ঘনত্ব ০.৯০ মিলিগ্রাম/কিউবিক সেন্টিমিটার।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন