চিকিৎসাবিজ্ঞান
২০১২ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার
পেতে যাচ্ছেন ব্রিটেনের জন গার্ডন ও জাপানের শিনিয়া ইয়ামানাকা। স্টেম সেল নিয়ে গবেষণা করে যৌথভাবে নোবেল
পেতে চলেছেন তারা। এবারের বিজয়ী হিসেবে তাদের নাম ঘোষণা করে সোমবার সুইডেনের
ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের বিবৃতিতে বলা হয়, এই দুই গবেষক দেখিয়েছেন, প্রাপ্তবয়ষ্ক
বিশেষায়িত কোষকে কীভাবে স্টেম সেলে রূপান্তর করা যায়, যাতে করে তা থেকে যে কোনো অঙ্গের জন্য নতুন কোষ তৈরি করা যেতে পারে।
ডিসেম্বর মাসের ১০ তারিখ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
সাড়া দেয় তা নিয়ে গবেষণা করে এবারের নোবেল জিতে নিলেন রবার্ট লেফকোইত্জ ও ব্রায়ান কোবিলকা। জি প্রোটিন কাপলড রিসেপটর কোন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তথ্য আদান-প্রদানের কাজটি করে, তা বের করেছেন তারা। মানব দেহের কোষ থেকে কোষে বাহ্যিক উদ্দীপনা ছড়িয়ে দেয়া এবং এরপর শারীরিক প্রতিক্রিয়া দেখানোর জন্য সংকেত গ্রহণকারী এই‘রিসেপটর’গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রোগ নিরাময়ে যেসব ওষুধ সেবন করা হয়, তার প্রায় অর্ধেকরই কার্যকারিতা নির্ভর করে জি প্রোটিন কাপলড রিসেপটরের উপর। তাই এই গবেষণা আরও উন্নতমানের ওষুধ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।
মূলত, তাদের এই গবেষণা বিভিন্ন ধরনের দেহকোষের বেড়ে ওঠা ও কজের ধরণ নিয়ে
প্রচলিত ধারণা পালটে দিয়েছে। ৭৯ বছর বয়স্ক জন গার্ডন বর্তমানে কেমব্রিজের গার্ডন
ইনস্টিটিউটের দায়িত্বে রয়েছেন। ১৯৬২ সালে(যে বছর ইয়ামানাকা জন্মগ্রহণ করেন)
তিনি এক ধরনের দেহ কোষ থেকে শুধু ওই ধরণের কোষই তৈরি করা যায়- এমন ধারণা বদলে
দেন। এর ৪০ বছরেরও বেশি সময় পর ২০০৬ সালে ইয়ামানাকা দেখান যে, কেবল চারটি জিন বদলে দিলেই ইঁদুরের প্রাপ্তবয়ষ্ক কোষ থেকে এমন স্টেম সেল
তৈরি করা যায়, যা থেকে দেহের অন্য অঙ্গের জন্য প্রয়োজনীয়
কোষ তৈরি সম্ভব। বর্তমানে কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার পাশাপাশি
গ্ল্যাডস্টোন ইনস্টিটিউটের সঙ্গেও আছেন ইয়ামানাকা। তিনিই প্রথম জাপানী হিসেবে
চিকিতসাবিজ্ঞানে নোবেল পেতে চলেছেন। তাদের এই উদ্ভাবন চিকিৎসাক্ষেত্রে যুগান্তকারী
পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা যায়।
চলতি বছর কোয়ান্টাম অপটিকস নিয়ে গবেষণার জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেতে যাচ্ছেনফ্রান্সের সার্জ হ্যারোশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ডেভিড ওয়াইনল্যান্ড। কীভাবে আলোর কণাকে এর একেবারে মৌলিক অবস্থানে রেখে পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা যায় তা দেখিয়েছেন এই দুই বিজ্ঞানী। তাদের এই উদ্ভাবন যোগাযোগ ও কম্পিউটিংয়ের উন্নতিতে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। এই গবেষণার ফলে কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যায় এক নতুন দুয়ার খুলে গেছে, যার পথ ধরে অতি উচ্চ গতির কম্পিউটার তৈরির গবেষণা শুরু করা সম্ভব হয়েছে।
চলতি বছর কোয়ান্টাম অপটিকস নিয়ে গবেষণার জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেতে যাচ্ছেনফ্রান্সের সার্জ হ্যারোশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ডেভিড ওয়াইনল্যান্ড। কীভাবে আলোর কণাকে এর একেবারে মৌলিক অবস্থানে রেখে পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা যায় তা দেখিয়েছেন এই দুই বিজ্ঞানী। তাদের এই উদ্ভাবন যোগাযোগ ও কম্পিউটিংয়ের উন্নতিতে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। এই গবেষণার ফলে কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যায় এক নতুন দুয়ার খুলে গেছে, যার পথ ধরে অতি উচ্চ গতির কম্পিউটার তৈরির গবেষণা শুরু করা সম্ভব হয়েছে।
রসায়ন
রসায়ন
চলতি বছরের নোবেল পুরস্কার ঘোষণার ধারাবাহিকতায় আজ ঘোষিত হল রসায়নে নোবেল বিজয়ীর নাম। আর সেই পুরস্কার জিতে নিলেন দুই মার্কিনী। মানব দেহের লক্ষ-কোটি কোষ যে প্রক্রিয়ায় তথ্য আদান-প্রদান করে এবং বাইরের উদ্দীপনায়
সাড়া দেয় তা নিয়ে গবেষণা করে এবারের নোবেল জিতে নিলেন রবার্ট লেফকোইত্জ ও ব্রায়ান কোবিলকা। জি প্রোটিন কাপলড রিসেপটর কোন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তথ্য আদান-প্রদানের কাজটি করে, তা বের করেছেন তারা। মানব দেহের কোষ থেকে কোষে বাহ্যিক উদ্দীপনা ছড়িয়ে দেয়া এবং এরপর শারীরিক প্রতিক্রিয়া দেখানোর জন্য সংকেত গ্রহণকারী এই‘রিসেপটর’গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রোগ নিরাময়ে যেসব ওষুধ সেবন করা হয়, তার প্রায় অর্ধেকরই কার্যকারিতা নির্ভর করে জি প্রোটিন কাপলড রিসেপটরের উপর। তাই এই গবেষণা আরও উন্নতমানের ওষুধ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।
ব্রায়ান কোবিলকা বর্তমানে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সির স্কুল অব মেডিসিনে মলিকুলার ও সেলুলার ফিজিওলজির অধ্যাপক হিসাবে কাজ করছেন। রবার্ট লেফকোইত্জ হাওয়ার্ড হিউস মেডিকেল ইনস্টিটিউটে গবেষণার পাশাপাশি ডিউক ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারে মেডিসিন ও বায়োকেমিস্ট্রির অধ্যাপক হিসাবেও কাজ করেছেন।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন